ক্যান্সারের উপাদান? রেনিটিডিন নিষিদ্ধ

অ্যাসিডিটির চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ওষুধ রেনিটিডিনে ক্যান্সারের উপাদান থাকতে পারে সন্দেহে এর কাঁচামাল কেনা, উৎপাদন, বাজারজাত এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

রোববার রাজধানীর মহাখালীতে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাথে ওষুধ শিল্প মালিক সমিতির আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষ- ইউএসএফডিএ গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রথম সতর্ক করে, অ্যাসিডিটির ওষুধ রেনিটিডিনে সহনীয় মাত্রায় চেয়ে বেশি ‘নাইটোসো ডাইমিথাইলা মাইন- এনডিএমএ’ রয়েছে- যা ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে।

ওষুধের গুণগত মান বিষয়ে ইউরোপীয় কর্তৃপক্ষ ‘ইনডিকিউএমও ১৬ সেপ্টেম্বর একই মত প্রকাশ করে।

জিএসকে কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বাজারে জেনটেক নামে রেনিটিডিন জাতীয় অ্যাসিডিটির ওষুধটি বাজারজাত করতো। ভারতের কোম্পানি ‘সারাকা’ এবং ‘ডক্টর রেড্ডি’ থেকে এর কাঁচামাল কেনা হতো।

ভারতে ওষুধের কেন্দ্রীয় মান নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা-সিডিএসসিও রেনিটিডিন তৈরির কাঁচামালে ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান থাকা নিয়ে আরো পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকা এবং ভারতের বিভিন্ন সংবাদপত্রে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

এ অবস্থায় রাজধানীতে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ওষুধ শিল্প মালিক সমিতির সাথে আলোচনায় বসে। এতে ওষুধ শিল্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, ভারতের ‘সারাকা’ এবং ‘ডক্টর রেড্ডি’ কোম্পানি থেকে বাংলাদেশেরও ৯১টি কোম্পানি রেনিটিডিনি তৈরির কাঁচামাল কেনে এবং দেশে বিভিন্ন নামে রেনিডিটিন উৎপাদন ও বাজারজাত হয়।

তাই রেনিটিডিনের বিকল্প ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন