মাহির সঙ্গে প্রেম নিয়ে যা বললেন জায়েদ খান

বেশ অনেক দিন ধরেই চলচ্চিত্র পাড়ায় গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে নায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন নায়ক জায়েদ খান।

তবে বিষয়টি নিয়ে কখনোই মিডিয়াতে মুখ খুলেননি তাদের দুজনের কেউই। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন জায়েদ খান।

তিনি বলেন, আসলে দেখেন একজন আর্টিস্টের সঙ্গে কাজ করতে গেলে অনেক ধরনেরই কথা শোনা যায়। আর সেই সব কথা কানে নিলে তো আর কাজ করা যাবে না। আমাদের আগেও অনেক সিনিয়র শিল্পীদের নিয়ে এমন অনেক কথাই শোনা গিয়েছে।

জায়েদ খান আরও বলেন, এরআগেও নায়িকা পপিকে আমার সঙ্গে জড়িয়ে নানা কথা ছড়িয়েছে। এমনো শুনেছি আমি নাকি পপিকে বিয়েও করেছি। আমি বুঝিনা মানুষ কেন বোঝে না একজন মেয়ে যার বিয়ে হয়েছে, স্বামী আছে তার সঙ্গে আমি কেন প্রেম করবো?

এদিকে আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। আর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাইতো চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ উৎসবের আমেজ। এবারের নির্বাচনে গতবারের মতো একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন মিশা-জায়েদ। বরাবরের মতই আছেন সিনিয়র শিল্পীরা।

মিশা-জায়েদ প্যানেলকে শিল্পীরা কেন ভোট দিবে জানতে চাইলে জায়েদ খান বলেন, আমার দুই বলছরে কী করেছি তা শিল্পীরা দেখেছে। আসলে পর্দায় সুপারস্টার হওয়া যায় ঠিকই তবে সেটা দর্শকদের জন্য। আর শিল্পীসমিতির একজন ভালো নেতা হতে হলে এফডিসির শিল্পীদের পাশে থাকতে হবে। যা আমি গত দুই বছর কেনো এর আগে থেকেই নানা ভাবে করে আসছি।

সংগঠনটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের শুরু থেকেই মিশা-জায়েদ ও মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের নাম শোনা যাচ্ছিল। দুই প্যানেল থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেও শেষ পর্যন্ত মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের শুধু মৌসুমী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। তাছাড়া সহ-সভাপতি পদে নানা শাহ, সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস কোবরা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে সাঙ্কু পাঞ্জা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী। কিন্তু হুট করেই অভিযোগ উঠেছে যে তাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে উপর মহল থেকে চাপ দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জায়েদ খান বলেন, শিল্পীরা স্বাধীন। আর উপর মহল কী বা কারা সেটী তাদের একটু তাদের বলতে বলুন। আসলে এসবই ভিত্তিহীন কথা।

প্রসঙ্গত, এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার চার মাস বিলম্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন।

আরও পড়ুন