কাকরাইলের অফিস থেকে ট্রাক ভরে টাকা সরিয়েছেন সম্রাট!

ঢাকা মহানগর দক্ষিণে যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের কাকরাইলের অফিস থেকে এক হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা এবং ইয়াবা সংরক্ষণের আড়াই হাজার জিপার প্যাকেট উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ভবন থেকে অনেক জিনিস সরিয়ে ফেলার আলামত পাওয়া গেছে। এই অফিস থেকে ট্রাকভর্তি টাকা সরানো হয়েছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

কাকরাইলের দুজন ব্যবসায়ী বলেন, অনেক রাত পর্যন্ত ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে গাড়ি আসা-যাওয়া করত। এর মধ্যে পিকআপও দেখা যায়। ২২ সেপ্টেম্বরের পর ভবনটি নীরব হয়ে যায়।

এদিকে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে দুই পিকআপ ভর্তি টাকা চট্টগ্রামের দিকে গেছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। গোয়েন্দারা এ ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন। তদন্তকারীদের কয়েকজনের ধারণা, সেখান থেকে অনেক টাকা সরিয়েছেন সম্রাট। সম্রাটকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার সুযোগ পেলে এসব জানতে চাওয়া হবে।

সূত্র জানায়, দুর্নীতিবাজরা সিংহভাগ টাকা পাচার করেছেন ব্যাংককে অবস্থানকারী চট্টগ্রামের শাহীন চৌধুরী নামের হুন্ডি ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারির মাধ্যমে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই নাম। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে আমলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক শ্রেণির কর্মকর্তা শাহীন চৌধুরীর মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচার করেছেন।

শুধু এই সরকারের আমলে নয়, বিগত সরকারের আমলেও একই কায়দায় শাহীন চৌধুরীর মাধ্যমে ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও আবুধাবিতে কোটি কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এ ধরনের তথ্যও বেরিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, ব্যাংককের একটি ব্যাংকে শাহীন চৌধুরীর জন্য একটি আলাদা ডেস্ক রয়েছে এই হুন্ডি ব্যবসার জন্য।

আরও পড়ুন